৩০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার গ্রামবাসির

দেশজুড়ে
রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
০২:৩৭:১৪পিএম, ৭ নভেম্বর, ২০২১

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া গ্রামে জিনজিরাম নদীর উপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ৩০ বছর ধরে চলাচল করছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ অনেক কয়েক বছর গত হয়ে গেলও সেখানে নির্মান করা হয়নি একটি ব্রিজ। একটি বাঁশের সাঁকো নির্মান করে কোন মতে চলা ফেরা করছে কয়েকটি গ্রামের হাজার,হাজার মানুষ।

শনিবার (৬ নভেম্বর) সরে জমিনে গিয়ে সাঁকোর পাশের বাড়ির বাসিন্দা মো.নাসির হোসেন,মো.নজির হোসেন,মো. জীবন মিয়া,জয়নাল মিয়া এবং আরও অনেকে বলেন ৩০ বছর পূর্বে আমাদের এই জিনজিরাম নদীতে নৌকার খেয়া দিয়ে এলাকার লোকজন পারাপার হতো। তখন নদীতে খুব স্রোত ছিলো আস্তে,আস্তে নদী মরে যায় স্রোতও কমে যায় তখন থেকে নৌকার খেয়া বাদ দিয়ে গ্রাম বাসির উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মান করা হয়। প্রতি বছর নতুন করে সাঁকো নির্মান করতে হয়। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে আমরা গ্রাম বাসি এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পাড়াপাড় হয়ে আসতেছি। বন্যার সময় সাঁকোটি পানির নিচে তলিয়ে যায় বাঁশ খুটি অনেক দিন পানির নিচে তলিয়ে থাকায় পঁচে নষ্ট হয়ে মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে। কোন প্রকার যানবাহন ভ্যান,রিকশা, সাইকেল, মোটরসাইকেল তো দূরের কথা মানুষ চলাচল করতেও পারেনা। ভাঙ্গা ব্রিজে পারাপারের সময় অনেকেই পড়েছে নানা দুর্ঘটনার কবলে। অনেকেই ভাঙ্গা সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে জিবন বাঁচিয়ে কিনারে উঠেছে। কেউ আবার অনেক সমম সাঁকো থেকে পড়ে যাওয়ার ভয়ে সাঁতার কেটেও এই নদী পার হতো। বয়সকো পুরুষ ও মহিলা কোন ভাবেই পাড়া পাড় হতে পারে না কারন ব্রিজের ওপর উঠলে ব্রিজ নড়তে থাকে, পড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকে সাঁকো দিয়ে পাড়াপাড় না হয়ে কয়েক কিলো মিটার রাস্তা ঘুরে চলাফেড়া করে। অনেক মেম্বার, চেয়ারম্যান ক্ষমতায় থেকে গেল আমরা তাদের কাছে অনেক বার আবেদন করেছি এখানে একটা পাকা ব্রিজের জন্য তাতে কোন কাজ হয় নাই। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও আজও একটি পাঁকা ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি এখানে। আমাদের গ্রাম বাসির দাবি এই জিনজিরাম নদীর উপর একটি ব্রিজ হলে এলাকার হাজার হাজার লোকজনের চলাচলের খুবি সুবিধা হবে, তাই আমরা এই নদীর উপর একটি ব্রিজ চাই।

২নং শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান মো.হাবিবুর রহমান (হাবিল), এবিসি নিউজকে বলেন গয়টাপাড়া বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করার জন্য টিআর প্রকল্প থেকে ৫০ হাজার টাকা বাজেট দেওয়া হয়েছে। এবং ওখানে একটা পাকা ব্রিজের জন্য আমরা আবেদন করেছি।